বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :

করোনা মোকাবেলায় কক্সবাজারে কাজ করছে স্কাস

বলরাম দাশ অনুপম:
বর্তমান চলমান করোনাভাইরাস সংকট মোকাবেলায় কক্সবাজারে প্রশাসনের পাশাপাশি কাজ করে বিভিন্ন বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা। এরই একটি হচ্ছে সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন স্কাস। যে সংস্থাটি করোনা সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে মাঠে নানা ধরণের সচেতনতামূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে স্কাসের চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা মানবিক সাহার্য্য নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। শুধু তাই নয় স্কাস চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা পরিস্থিতিতে দিন-রাত অসহায়, দরিদ্র এবং কর্মহীন হয়ে পড়া পেশাজীবীদের জন্য বাড়িয়ে দিয়েছেন সাহায্যের হাত। পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের স্বাস্থ্যসেবায়ও সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতাও দিয়ে যাচ্ছেন বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা স্কাসের চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা। তিনি জানান ইতোমধ্যে তাঁর সংস্থার পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের ত্রাণ তহবিলে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ত্রাণ তহবিলে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি প্রদান করা হয়েছে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ড ওয়াশসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম, জেলা পুলিশ ও সাংবাদিকদের করোনা সহায়তা তহবিলেও সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়ানো হয়েছে এই সংস্থাটির পক্ষ থেকে। শুধু তাই নয় ইতোমধ্যে উখিয়া থানায় স্কাসের পক্ষ থেকে স্থাপন করা হয়েছে জীবাণুনাশক টানেল। এছাড়া উখিয়া উপজেলার রাজাপালং, হলদিয়াপালং ও জালিয়াপালংয়ের ৬ শতাধিক মানুষের মাঝে কোভিড-১৯ বিষয়ক সচেতনতামূলক লিপলেট বিতরণের পাশাপাশি দেয়া হয়েছে নিরাপত্তা সামগ্রীও। তাছাড়াও রাজাপালং ইউনিয়নে দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদানসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে সংস্থাটি। পর্যায়ক্রমে প্রশাসন, পুলিশ, সাংবাদিকসহ যারা করোনা মোকাবেলাায় সম্মুখযুদ্ধে রয়েছেন তাদের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীও দেয়া হবে বলে জানান স্কাস চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা। তিনি বলেন-দেশটা সকলের। তাই করোনা মোকাবেলা করতে হবে সকলকে মিলেই। এই দায়িত্ববোধ থেকে আমরা (স্কাসের) পক্ষ থেকে প্রশাসনসহ সকলকে সহযোগিতা করছি মাত্র। আশা করি সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে করোনাকালীন সময় থেকে বের হয়ে আমরা আবার সুন্দর ও সত্যের পথে এগিয়ে যাব প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে ভালবেসে। পাশাপাশি তিনি তার ছেলের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। কারণ এই যুদ্ধে তাকে সবচেয়ে বড়ো উৎসাহ দিয়েছে ১২ বছরের ছেলে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION